রায়পুরার রাজনীতি এবং নির্বাচন

রায়পুরার রাজনীতির আবহাওয়া অন্য যেকোন নির্বাচনের চেয়ে এইবার ভিন্ন। বিশেষ করে আওয়ামীলীগ এর জন্য। রায়পুরা আওয়ামীলীগ এর অবিসাংবাদিত নেতা বর্তমান সাংসদ রাজিউদ্দিন রাজু সাহেব দীর্ঘদিন যাবৎ রায়পুরার রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করতেন। প্রতিদন্ধী বলতে গেলে ছিলই না কখনো। এইবার কিছুটা ভিন্ন প্রেক্ষাপট। আওয়ামীলীগ এর কেন্দ্রীয় নেতা এডভোকেট রিয়াজুল কবির কাওছার , কেন্দ্রীয় যুবলীগ সেক্রেটারি হারুনুর রশীদ হারুন এবং ব্যারিস্টার তৌফিকুর রহমান এইবার মনোনয়ন প্রতিদন্ধিতায় টিকে আছে। যদিও মূল প্রতিযোগিতা এডভোকেট রিয়াজুল কবির কাওছার এর সাথেই। রাজু সাহেবের অভিজ্ঞতা এবং কাওছার সাহেবের তারুণ্য এই দুই গুনের কোনটিকে দলীয় প্রধান প্রাধান্য দেন সেটি সময়ই বলে দিবে। তবে মাঠ পর্যায়ে রাজু সাহেবের যে ব্যাপক পদচারনা তার কথা চিন্তা করলে তার বিকল্প নাই। যদিও বয়সের কারনে রাজু সাহেব কিছুটা প্রচার প্রচারণায় পিছিয়ে তারপরও অভিজ্ঞতায় এগিয়ে যোজন যোজন। বিশেষ করে চরের রাজনীতিতে রাজু সাহেবের বিকল্প কম। প্রচার প্রচারণায় হারুনুর রশীদ এগিয়ে থাকলেও মূল দলের প্রার্থীদের থেকে পিছিয়ে থাকবে মনে হয়। তৌফিকুর রহমানের মূল শক্তি পারিবারিক। তার প্রচারণায় মূলত বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র পরিচয় প্রাধান্য পেলেও রাজনৈতিক অভিজ্ঞতায় পিছিয়ে আছে কিছুটা। কাওছার সাহেবের মূল শক্তি কেন্দ্রীয় কমিটির সাথে যোগাযোগ।

বিএনপির দৃশ্যত কোন প্রচারণা না থাকলেও কেন্দ্রীয় নেতা ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল, ব্যবসায়ী জামাল চৌধুরী, থানা সভাপতি এডভোকেট নেছার উদ্দিন এবং জেলা যুবদল আহ্ববায়ক মহসিন হোসাইন বিদ্যুৎ।

Add a Comment